শিরোনাম

সুন্দরগঞ্জে জুট ব্যাগ কারখানা নির্মানের কথা বলে ১৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন 

Spread the love
জাহিদ হাসান জীবন  , সুন্দরগঞ্জ  (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে জুট ব্যাগ কারখানা নির্মানের কথা বলে ১৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন- উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের ঘগোয়া গ্রামের অতুল চন্দ্র রায়ের ছেলে সুব্রত রায়।
সুব্রত রায় সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তার লিখিত বক্তব্যে বলেন ঘগোয়া গ্রামের ফয়জার রহমান ডলারের ছেলে মেহেদী হাসান নিলয়, আমার পরিচিত ও নিকটতম শুভাকাংখী। বিভিন্ন কারণে সে সুব্রত রায়ের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে পরিশোধ করত। এই সুসম্পর্কের খাতিরে ব্যবসায়িক প্রয়োজনে গত ২০১৭ সালের ১০এপ্রিল সুব্রত রায়ের কাছ থেকে নিলয় ১৫ লক্ষ টাকা ধার নেয়। উক্ত টাকা ৬ মাসের মধ্যে পরিশোধ করার জন্য নিলয় তার নামীয় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লি: সুন্দরগঞ্জ শাখার সঞ্চয়ী হিসাব নং- ১৩৪২৫, চেক নং- এমএসআর-০১৫৩৭৪৯,তাং ২০১৮ সালের ২৭ ফেব্রয়ারী ১৫ লক্ষ লিখে তার স্বাক্ষরিত একখানা চেক প্রদান করেন। সে মোতাবেক উক্ত তারিখে টাকা উত্তোলনের জন্য ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লি: সুন্দরগঞ্জ শাখায় গেলে ওই হিসাব নম্বরে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চেকখানা ডিজ অনার করে ডিজ অনার সার্টিফিকেট প্রদান করেন। এরপর ২০১৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারী সুব্রত রায় একজন আইনজীবী দ্বারা লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করে একই বছরের ১৫ই মার্চ লিগ্যাল নোটিশের শর্তানুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে পাওনা চেকের টাকা পরিশোধ করে চেক ফেরত নেয়ার কথা থাকলেও তা নেয়নি নিলয়। অথচ ধুরন্ধর নিলয় চেকের টাকা বুঝিয়ে দিয়ে আপোষ মিমাংসার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে কালক্ষেপন করে আসায় সে ২০১৮ সালের ১০ এপ্রিল অঙ্গীকার করে বলেন সমুদয় টাকা একযোগে পরিশোধ করবেন। ২০১৮ সালের ২০ সেপ্টেম্বর নিলয়ের বাড়িতে গিয়ে পাওনা টাকা ফেরত চাইলে তিনি টাকা দিতে অস্বীকার করেন। অবশেষে সুব্রত রায় বাধ্য হয়ে ২০১৮ সালের ৭ অক্টোম্বর বিজ্ঞ আমলী আদালত সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধায় দ:বি:৪০৬/৪২০ ধারায় সি.আর ৩৭৫/১৮ নং মোকদ্দমা দায়ের করে। এছাড়াও নিলয়ের বিরুদ্ধে একই গ্রামের নয়া মিয়া পাটোয়ারীর ছেলে শাহজাহান পাটোয়ারী, ২,৫০,০০০/- টাকার চেক ডিজ অনার এর একটি মামলা করেন, যার নং- সি.আর. ৪৮০/২০১৮। একই গ্রামের আজিজার রহমানরে ছেলে আনিছুর রহমান, ৩,০০,০০০/- টাকা দাবীতে সি.আর ৪৮১/১৮ নং মামলা দায়ের করেন। এভাবেই বিভিন্ন জনের কাজ থেকে টাকা নিয়ে ঘগোয়া গ্রামে জুট ব্যাগ কারখানা স্থাপন করছে যা এখনও নির্মানাধীন। পাওনা টাকা ফেরত না দিয়ে পাওনাদার ও সুব্রত রায়ের মামলার সাক্ষীগণকে সরাসরি হুমকি দিচ্ছে। মামলার বাদী একপ্রকার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *