শিরোনাম

উলিপুরে সবজি উৎপাদনে কম খরচে বেশি লাভবান হওয়ায় সবজি চাষে ঝুঁকে পড়েছে চরাঞ্চলের কৃষকরা

Spread the love

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: নদনদী দ্বারা বেষ্টিত বিভিন্ন চর, দ্বীপচর,ও বালুচরে বিভিন্ন জাতের সবজি উৎপাদনে চোখে পড়েছে কৃষকরা উৎপাদিত ফসল বাজারজাত করে জীবিকা নির্বাহ করছে।
সরেজমিনে জানা গেছে, কুড়িগ্রাম জেলার ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদ-নদী বেষ্টিত উলিপুর উপজেলার একটি ইউনিয়ন হচ্ছে বেগমগঞ্জ ইউনিয়ন। প্রায় অধিকাংশ লোকের পেশা কৃষি তাই কৃষির উপর নির্ভরশীল। দারিদ্রতা, নদী ভাঙ্গন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার দুরবস্থা অশিক্ষা ও কৃষি উৎপাদনে সার বীজ এর উচ্চ মূল্য কৃষকদের প্রধান বাধা সত্ত্বেও থেমে নেই এই ইউনিয়নের কৃষি উৎপাদন। যেদিকে চোখ যায় শুধু পটল, করলা আর বেগুনের ক্ষেত। পাশাপাশি রয়েছে চরাঞ্চলের রাশি রাশি বালুতে মিষ্টি কুমড়া, বাদাম আর ভুট্টাক্ষেত সহ বিভিন্ন মৌসুমি সবজি। কৃষক আব্দুল মালেক, মিজানুর, কানু মেকার, হৃদয় চন্দ্র, জমিরউদ্দিন, শমসের আলী, আজগার আলি ও ইউনুস আলী সহ বেশ কয়েকজনের সাথে কথা হলে তারা জানায় বারবার ধান উৎপাদন করে ন্যায্য মূল্য পাওয়া যায় না তাই ধান উৎপাদনের পাশাপাশি সবজি চাষ করে বেশি লাভবান হওয়ায় এখন বেশিরভাগ জমিতে বিভিন্ন জাতের সবজি চাষ করে কম খরচে বেশি লাভবান হচ্ছি। উৎপাদিত সবজি এলাকার বিভিন্ন হাট-বাজার সহ পার্শ্ববর্তী মোগলবাসা বাজারে দৈনিক খুচরা ও পাইকারি দরে বিক্রি হয়।আরএইসব কৃষিকাজে কারিগরী জ্ঞান ও পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জনাব মোঃসাজেদুল করিম। পদবী আর যাই হোক এলাকার কৃষকেরা তাকে বিএস সাজেদুল ভাই নামে একনামে চিনে থাকেন। এ ব্যাপারে ৮ অক্টোবর মঙ্গলবার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাজেদুল করিম এর সাথে কথা হলে তিনি জানান বেগমগঞ্জ ইউনিয়ন প্রায় পাঁচ বছর হতে নিজ ব্লক খুদির কুটি, পাশাপাশি উপজেলা কৃষি অফিসারের মৌখিক নির্দেশে আফতাবগঞ্জ ব্লকের দায়িত্ব পালন করে আসছে ছোট-বড় চারটি নদীসহ বিভিন্ন চরে দীপ করে অতি কষ্টে যাতায়াত করে কৃষকদের সেবা প্রদান করছে অসম্ভব হলেও সত্য যে উপজেলা কার্যালয় থেকে প্রায় পঁচিশ থেকে ত্রিশ কিলোমিটার দূরত্বে পথ অতিক্রম করতে হয়। যার মাসিক টি এ বিল পাই দুইশত টাকা করে যা বর্তমানে বাজারে প্রায় দুই লিটার পেট্রোল বা দুই কেজি পেঁয়াজের মূল্যের সমান। সর্বসাকুল্যে কৃষি ডিপার্টমেন্ট এর দায়িত্ব পালন সহ চরাঞ্চলের কৃষকদের সাথে কাজ করতে পেরে নিজেকে গর্ববোধ করি। এই ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান বেলাল হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, এলাকার কৃষক কৃষি কাজে যথেষ্ট পারদর্শী ও আগ্রহী কৃষি বিভাগ যদি সার ও বীজের মূল্য নিয়ন্ত্রণ করে তাহলে কৃষকদের সত্যিই উপকৃত হবে। তবে কৃষকদের সার্বিক পরামর্শে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাজেদুল করিম একজন পারদর্শী ও জ্ঞানী সব সময় কৃষকরা তাকে পাশে পায় এ ইউনিয়নের কৃষকদের বীজ সার ও নানা বিষয়ে সরকারিভাবে কৃষি বিভাগের সহযোগিতা করলে দারিদ্রতার হার কমে আসবে বলে আমি মনে করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *