রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:২১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম:
কুড়িগ্রামে রেলের জমি থেকে উচ্ছেদকৃত বাস্তহারাদের ডিসি অফিস অবস্থান কর্মসূচি জয়পুরহাট পৌরসভার সীমানা বর্ধিত করে পল্লী এলাকাকে সংযুক্ত করার প্রতিবাদ গোবিন্দগঞ্জে দুবৃর্ত্তদের হাতে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্কুল ছাত্রের মৃত্যু গোবিন্দগঞ্জে আওয়ামীলীগের উদ্যোগে মুজিববর্ষ উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত স্বামীকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ী হবেন নুসরাত ফারিয়া ‘আমার জীবনের সবচেয়ে খারাপ সময় শুরু হয় তখন যখন আমি কেবিসি জিতি’ -সুশীল কুমার। রাণীশংকৈলে পেঁয়াজে গড়ম ঝাঁঝ, প্রতিকেজি পেঁয়াজ ১০০ টাকা নড়াইল কালনা সড়কের উপরে মাছের  আড়ৎ  রাণীশংকৈল পৌরসভা নির্বাচন, সাম্ভাব্য প্রার্থীদের আগাম গণসংযোগ নড়াইলে ডিবি পুলিশের অভিযানে পলাতক দুই আসামি ৯৭ পিচ ইয়াবাসহ গ্রেফতার   
উলিপুরে বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি

উলিপুরে বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি

রুহুল আমিন রুকু, স্টাফ রিপোর্টার: কুড়িগ্রামের উলিপুরে বন্যার পানিতে দিশেহারা হয়ে বাড়ি-ঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে মানুষ।উপজেলার প্রায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে খাদ্য সংকটে পড়েছে।

গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে উলিপুরের বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে।মঙ্গলবার(১৪ জুলাই) দুপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, ধরলা নদী ব্রীজ পয়েন্টে১০৩, ব্রহ্মপুত্র চিলমারী পয়েন্টে ৯৩ ও নুনখাওয়া পয়েন্ট ৮৭ সেন্টিমিটার বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি পেয়ে উপজেলার থেতরাই,ধামশ্রেণী,হাতিয়া ও বজরা ইউনিয়নসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নতুন নতুন গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।এতে চরম দূর্ভোগে পড়েছে গর্ভবতি মা শিশুরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, থেতরাই ইউনিয়নের পাকারমাথা নামক এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় পানিবন্দী হয়ে খাদ্য সংকটে পড়েছে মানুষ।অনেকেই আশ্রয় নিয়েছেন স্কুলের মাঠসহ উঁচু জায়গায়।পানিবন্দী হয়ে গবাদীপশু নিয়ে দুর্ভোগে রয়েছেন বানভাসীরা।এমনিতেই নদী ভাঙনের শিকার এ ইউনিয়নের তিস্তা পাড়ের মানুষ,তার মধ্যে আবার বন্যার পানি।

পানিবন্দী চাঁদ মিয়া,শহিদুল, চায়না,সাহেরা, জোবেদ মুন্সি,আশরাফুল,নুর ইসলামসহ আরো অনেকে এ প্রতিবেদককে জানান, হামরা বানের পানিত কি ভাসি যামো,কাইয়ো হামার খোঁজ নেয়না।ঘর-বাড়ি ছাড়ি স্কুলের মধ্য আছি।এমনিতো ভাইরাসের কারণে কামাই(ইনকাম) নাই,ফের আইলো বানের পানি,কনতো হামরা এলা কি করমো।কাজ কর্ম নাই,দিন আনি দিন খাই।হামার কথা কাইয়ো ভাবে না,বানের পানি আর নদী ভাঙন হামার সব শেষ করিল।

মঙ্গলবার(১৪ জুলাই) দুপুরে উলিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আব্দুল কাদের জানান, পানিবন্দী মানুষের খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।জেলা প্রশাসন থেকে খাদ্য সহায়তা পেয়েছি,যা প্রতিটি ইউনিয়নে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মো: রেজাউল করিম জানান, পানিবন্দী মানুষ ও বন্যা কবলিত এলাকার খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। জেলায় ৪৩৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তত রাখা হয়েছে। ৪০০মে. টন চাল, ১১ লাখ টাকা ও ৩ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার উপজেলা পর্যায়ে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2020 nbnews71.com
Design & Developed BY NB Web Host