উলিপুরে পৌর শহরের দেড় শতাধিক বাড়ির উঠানে পানি

রুহুল আমিন রুক, স্টাফ রিপোর্টার: কুড়িগ্রামের উলিপুর পৌরসভার সদর এলাকায় পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় কয়েক দিনের ভারী বর্ষণের কারণে প্রায় দেড় শতাধিক বাড়ির উঠানে পানি জমে আছে। ফলে গরু ছাগল ও শিশুদের নিয়ে খুব কষ্টে বসবাস করছেন এলাকাবাসী। পৌর কর্তৃপক্ষকে বহুবার বলা হলেও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
জানা যায়, গত কয়েক দিন থেকে ভারী বর্ষণ শুরু হয়েছে। এতে পৌরসভার সদর ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সিপাড়া গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতে পানি জমে আছে। এমনকি ঘরের বারান্দা পর্যন্ত পানিতে তলিয়ে গেছে। উলিপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সিপাড়ায় সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, মধু ভোলা, নুর আলম, নুরনবী, নুর কাশিম, মুসা মিয়া, হান্নান, মান্নান, রানা, মোস্তা, সামিনুল, রানা মিয়া, বাবলু মিয়া, শাহজাহান, হায়দার আলী, লিটন মিয়া, মঞ্জু মিয়া, সোহেল রানা, হারেজ মিয়া, সোলেমান আলী, আঃ হালিম, রহমান মিয়া, নুর জাহান, আলমগীর হোসেন, জাহাঙ্গীর, সফিকুল, ওপিয়ল, লাদেন, রফিকুল ইসলাম, আতাউর রহমান, মিলন মিয়া, নুর আমিন, নজির হোসেন, প্লেন মিয়া, মঞ্জু মিয়া, সাইদুল ইসলাম, পারভেজ মিয়া, নাসির হোসেন, বাবু মিয়া, রাজ্জাক মিয়া, চাঁন মিয়া, সিরাজুল ইসলাম, আনিছার রহমান, তোতা মিয়া, ফজলুল হক, ফুলু মিয়া, বিশ্বনাথ পোদ্দার, অঞ্জনা রানী, নজরুল ইসলাম ও সাদেক আলীসহ অনেকের বাড়ির উঠানে পানি জমে আছে। বহু পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বাড়ির উঠানে পানি জমে থাকায় রান্না করার চুলা ঢুবে যাওয়ায় পরিবার গুলো পড়েছেন চরম দূর্ভোগে। ওই এলাকার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গত কয়েকদিন ধরে ২টি গরু নিয়ে খুবই বেকায়দায় আছি। বাড়ির উঠানে ও গরুর গোয়ালঘরে পানি উঠেছে। ফলে গরু নিয়ে খুব কষ্টে আছি। বিষয়টি পৌরসভার কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা গ্রহন করেনি। এদিকে পৌর শহরের অনেক রাস্তায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা দেখা দিলে পৌর কর্র্তৃপক্ষ কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহন করেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।
উলিপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র আনিছুর রহমান সদর এলাকায় জলাবদ্ধতার কথা স্বীকার করে বলেন, ওই এলাকায় সকলের সঙ্গে কথা বলে অস্থায়ী ভিত্তিতে পাইপ বসিয়ে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে। পরবর্তীতে স্থায়ীভাবে ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা হবে।
১৫/৭/২০

মতামত দিন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More