শিরোনাম

খাগড়াছড়িস্থ রামগড় স্থলবন্দর পরিদর্শন করেন ভারতের হাইকমিশনার রীভা রাঙ্গুলী

Spread the love
মোঃমনির হোসেন খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
 খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় স্থলবন্দরের চলমান মৈত্রী সেতুর কাজের অগ্রতির কার্যক্রম দেখার জন্য ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলী দাস সরেজমিনে পরির্দশন করেছেন। এসময় সাথে ছিলেন, ডিপুটি কমিশনার চট্টগ্রাম অনিদ্র ব্যানার্জি, ভারতীয় জাতীয় হাইওয়ের প্রজেক্ট প্রধান দিল ভাকসিংসহ পদস্থ কর্মকর্তাগণ।রোববার (১৬ জুন) বেলা ১১টায় রামগড়ের ফেণী নদীর উপর নির্মাণাধীন ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতুর নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন। মৈত্রী সেতু-১ ও স্থলবন্দর নির্মাণ কার্যক্রমের কাজে সন্তোষ জানিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন ভারতের হাই কমিশনার।
ভারতীয় হাই কমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাস সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ ভারত মৈত্রী সেতু ১ চালু হলে পাহাড়ের অর্থনীতি প্রবৃদ্ধি হবে। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যসহ অন্যান্য রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সড়ক যোগাযোগ ও ব্যবসায়িক সর্ম্পক আরও বেশী সহজ হবে। চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বন্দর ব্যবহার করে দুই দেশের ব্যবসায়ীরা কম সময় ও ব্যয়ে আমদানী রপ্তানী করে উপকৃত হবে। আগামী বছরের এপ্রিলের মধ্যে বাংলাদেশ ভারত মৈত্রী সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হবে।
খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো: শহিদুল ইসলাম বলেন, রামগড়ের স্থলবন্দর চালু হলে রামগড় ও আশপাশের বেকার সমস্যা দূর হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু ব্যবহার করে সেভেন সিস্টার খ্যাত ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সাথে পর্যটকদের যোগাযোগও সহজ হবে। ভারত সরকারের সহযোগীতায় ১২০ কোটি টাকা ব্যয়ে মৈত্রী সেতুর কাজ শেষ হওয়ার পরপর স্থলবন্দর ও অন্যান্য কার্যক্রম শুরু হবে।
এসময় খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এমএম সালাহউদ্দিন, রামগড় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বিশ্ব প্রদীপ কার্বারী, জেলা পরিষদ সদস্য মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু, জুয়েল চাকমা ও পার্থ ত্রিপুরা জুয়েল অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৭ অক্টোবর বাংলাদেশ ভারত মৈত্রী সেতু ১ এর কাজ শুরু হয়। আগামী বছরের ২৭ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা রয়েছে মৈত্রী সেতু ১ এর নির্মাণ কাজ। ৪১২ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১৪.৮০ মিটার প্রস্থের এই সেতুর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ভারতীয় মুদ্রায় ৮২.৫৭ কোটি রুপি।
এদিকে হাইকমিশনের স্থলবন্দর এলাকা পরির্দশন উপলক্ষ্যে প্রশাসনিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পরে রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে বিশ্রাম ও দুপুরের খাবার শেষে রামগড় ত্যাগ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *