বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৩:১১ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
কুড়িগ্রামে রেলের জমি থেকে উচ্ছেদকৃত বাস্তহারাদের ডিসি অফিস অবস্থান কর্মসূচি জয়পুরহাট পৌরসভার সীমানা বর্ধিত করে পল্লী এলাকাকে সংযুক্ত করার প্রতিবাদ গোবিন্দগঞ্জে দুবৃর্ত্তদের হাতে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্কুল ছাত্রের মৃত্যু গোবিন্দগঞ্জে আওয়ামীলীগের উদ্যোগে মুজিববর্ষ উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত স্বামীকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ী হবেন নুসরাত ফারিয়া ‘আমার জীবনের সবচেয়ে খারাপ সময় শুরু হয় তখন যখন আমি কেবিসি জিতি’ -সুশীল কুমার। রাণীশংকৈলে পেঁয়াজে গড়ম ঝাঁঝ, প্রতিকেজি পেঁয়াজ ১০০ টাকা নড়াইল কালনা সড়কের উপরে মাছের  আড়ৎ  রাণীশংকৈল পৌরসভা নির্বাচন, সাম্ভাব্য প্রার্থীদের আগাম গণসংযোগ নড়াইলে ডিবি পুলিশের অভিযানে পলাতক দুই আসামি ৯৭ পিচ ইয়াবাসহ গ্রেফতার   
হিন্দু সংস্কৃতির সুপ্রাচীন রীতি শঙ্খধ্বনি গৃহস্থের মঙ্গল!!

হিন্দু সংস্কৃতির সুপ্রাচীন রীতি শঙ্খধ্বনি গৃহস্থের মঙ্গল!!

উজ্জ্বল রায় নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  হিন্দু সংস্কৃতির সুপ্রাচীন রীতি শ্বেত শঙ্খের ব্যবহার। শুদ্ধতার প্রতীক এই শঙ্খ যে কোনও শুভ কাজে তো বটেই, সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় পুজো-পাঠে। শাস্ত্র মতে কোনও শুভ কাজ করার আগে শঙ্খধ্বনি করলে গৃহস্থের মঙ্গল হয়। এই ধ্বনিই পরিবারকে সমস্তরকম অশুভ শক্তি, ভাবনা ও কাজ থেকে বিরত রাখে। শুধু তাই নয়, কালা জাদুর প্রভাব থেকেও শঙ্খ দূরে রাখে। উজ্জ্বল রায় নিজস্ব প্রতিনিধি জানান, এই বিশ্বাসেই বাড়ির মহিলা ও পুরুষরা প্রতিদিন সন্ধ্যারতির সময় শঙ্খধ্বনি করে থাকেন। এমনকী বিজ্ঞানও মেনে নিয়েছে এই পবিত্র ধ্বনি নানা জীবাণু থেকে শরীরকে দূরে রাখে। আর সেই কারণেই কিছু আচার-নিয়ম মেনেই বাড়িতে শঙ্খ রাখতে হয়। নাহলে এর ভাল গুণগুলি থেকে বঞ্চিতই হতে হবে।
পুরান অনুযায়ী, সমুদ্র মন্থনের সময়ই উঠে এসেছিল শঙ্খ। যা পরবর্তীকালে স্থান পায় ভগবান বিষ্ণুর হাতে। কথিত আছে, চন্দ্র-সূর্য-বরুণ দেব শঙ্খের একেবারে নিচে অবস্থান করেন। মধ্যভাগে প্রজাপতি এবং বাকিভাগে থাকেন গঙ্গা ও সরস্বতী। তাই শঙ্খধ্বনি এই সকল ঈশ্বরের আশীর্বাদ পেতে সাহায্য করে। দুধরনের শঙ্খ হয়ে থাকে, এমনকী বিজ্ঞানও মেনে নিয়েছে এই পবিত্র ধ্বনি নানা জীবাণু থেকে শরীরকে দূরে রাখে। একপ্রকার পুজোয় যা বাজাতে হয় এবং অন্যটি দুধ দিয়ে ধুয়ে পুজো স্থানে রাখা হয়। যেটিকে শঙ্খপাণিও বলা হয়ে থাকে। যার আকার অপেক্ষাকৃত ছোট। তাতে মূলত গঙ্গা জল রাখা হয়ে থাকে।
খেয়াল রাখবেন, যে শঙ্খ বাজানো হয়, সেই শঙ্খ যে জল দিয়ে ধুয়ে পুজোয় না ব্যবহার করা হয়। শঙ্খ কেনার সময় একইসঙ্গে দুধরনেরই কিনবেন। বাড়িতে সেগুলিকে অবশ্যই পৃথকভাবে রাখবেন। তবে বাজার থেকে এনেই সেগুলি ব্যবহার করবেন না। গঙ্গাজল দিয়ে ধুয়ে সেগুলি ঠাকুরের স্থানে রাখুন। চেষ্টা করুন যে শঙ্খটি বাজাবেন সেটি রাখবেন হলুদ কাপড়ে এবং অন্যটি সাদা কাপড়ে। এতে সংসারে শুভ শক্তির আগমন
হিন্দু শাস্ত্র মতে, দেবাদিদেব শিবের মাথার উপরের দিকে কোথাও শঙ্খ রাখবেন না। শঙ্খের জল যেন শিবের মূর্তি অথবা শিবলিঙ্গে না পড়ে। শাঁখটি এমনভাবে রাখবেন, যাতে তার সূচালো দিকটি ভগবানের দিকে থাকে। সবচেয়ে ভাল হয় যদি শঙ্খের উপর একটি স্বস্তিক চিহ্ন এঁকে দিতে পারেন। আলাদা করে কি শঙ্খের পুজো করেন? যদি না করেন, তবে সোমবার করে শঙ্খ পুজো করতেই পারেন। যে কোনও দিনই শাঁখের পুজো করা যায়। তবে সোমবারই আদর্শ। এতে সংসারের আর্থিক উন্নতি হয়। পরিবারের কল্যাণের জন্য প্রতিদিন সকালে স্নান করে শঙ্খধ্বনি দিতে পারেন। তবে শঙ্খ বাজানোর পর অবশ্যই তা ধুয়ে রাখুন। তাহলে বুঝতেই পারছেন, স্বাস্থ্য ও সংসারের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ এই প্রাকৃতিক উপাদানটি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2020 nbnews71.com
Design & Developed BY NB Web Host