শাহপুরীরদ্ধীপ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ীর ক্যাশিয়ার ওয়াদুদের বেপরোয়া চাঁদাবাজি

বিশেষ প্রতিবেদক, উখিয়া,কক্সবাজার: কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের উখিয়ার বালুখালীস্থ শাহপরীরদ্ধীপ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ীর ক্যাশিয়ার নামধারী কনস্টেবল আবদুল ওয়াদুদের বেপরোয়া চাদাঁবাজিতে অতিষ্ঠ ব্যবসায়ী ও যাত্রী সাধারণ। কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে চলাচলরত যাত্রীবাহী বাস,মিনিবাস,মালবাহী ট্রাক,ডাম্পার ,ডাম্পার,সিএনজি-অটোরিকশা,জ্বীপ মাইক্রোবাস,হিউম্যান হলার,নোয়াহ গাড়ী যত্রতত্র থামিয়ে নানা অজুহাতে চাঁদা আদায় করে হাইওয়ে পুলিশের ভার্বমুতি লাটে তুলেছে।একই সাথে ব্যবসায়ী ছাড়াও অসহায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মহিলাদের আটকিয়ে মামলার ভয় গণহারে চাঁদা আদায় করে চললেও দেখার নেই।প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বিহীন গাড়ী আটক করে মাসোহারার বিনিময়ে বৈধতা দিয়ে লাখ- লাখ চাঁদার টাকা আদায় করে পকেটস্থ করছে।যেনো আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ বনে গেলেও সরকার কিংবা পুলিশের ভার্বমুতি প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে।জানা গেছে গত গত কয়েক
মাস পুর্বে আবদুল ওয়াদুদ শাহপরীরদ্ধীপ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ীতে যোগদানের পর পুর্বের চিত্র পাল্টে গেছে।নানা অজুহাতে প্রতিটি গাড়ী টোকেন সিস্টেম প্রথা চালু করেছে। প্রতি মাসে অন্তত সহস্রাধিক বিভিন্ন যানবাহন থেকে ৫০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত টাকা আদায় করে মাসে অন্তত কয়েক লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিজের পকেট ভারী করছে।একেক মাসে একেক নামের টোকেনে ছন্দ নাম ব্যবহার করে থাকে।মোরশেদ,বিজয়, নান্নু। চলতি মাসের টোকেনের নাম নান্নু। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী জানান,হাইওয়ে পুলিশের কনস্টেবল আবদুল ওয়াদুদ ক্যাশিয়ার নাম দিয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গাদের বিক্রিত ক্ষুদ্র পণ্য- সামগ্রী, লাকড়ী,শাক সবজি,তরিতরকারীর গাড়ী আটকিয়ে চাঁদাবাজি করছে।টেকনাফের বাণিজ্য ব্যবসায়ী মো: সেলিম,রুহুল আমিন, মরিচ্যার চাল ব্যাবসায়ী রশিদ আহমদ জানান,যেমন ইচ্ছে, যত্রতত্র গাড়ী আটকিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা তল্লাশীর নামে দাঁড় করিয়ে হয়রানী করছে।অর্থ আদায়,সময় ক্ষেপনসহ অবাধে হয়রানী করছে ওয়াদুদ।সে হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিওয়নের এসপি’র নাম ভাঙ্গিয়ে যাত্রী সাধারণের সাথে বেপরোয়া আচরণ করছে।স্থানীয় ও ব্যবসায়ী সাধারণের দাবী অনতি বিলম্বে বালুখালীস্থ শাহপরীরদ্ধীপ হাইওয়ে পুলিশের ক্যাশিয়ার নামধারী কনস্টেবল (কং-৩৭২) আবদুল ওয়াদুদকে প্রত্যাহার না করলে যাত্রী সাধারণ ফুঁসে ওঠবে।পাশাপাশি পুলিশের ভার্বমুতি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে দাঁড়াবে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত আবদুল ওয়াদুদের নিকট জানতে চাইলে সাংবাদিকদের জানান,আমি চাঁদাবাজিসহ এসব কাজে জড়িত নয় বলে অস্বীকার করেন।বালুখালীস্থ শাহপরীরদ্ধীপ হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ এসআই রাজেস বড়ুয়ার মোবাইল রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।এ বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।রামু ক্রসিং হাইওয়ে পুলিশের ওসি মো: মোজাহিদুল ইসলাম বলেন,এ রকম হয়ে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিওয়নের এসপি মো: নজরুল ইসলামের নিকট এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কনস্টেবল আবদুল ওয়াদুদের ব্যাপারে খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বস্থ করেন।

মতামত দিন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More