মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২০, ১১:২৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
কুড়িগ্রামে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত যুবকের মৃত্যু, গ্রেপ্তার ৩ গাইবান্ধার ২১০০ হতদরিদ্র পরিবার পেল কোরবানি কর্মসূচির মাংস এনবিনিউজ একাত্তর ডটকম’র নির্বাহী সম্পাদকের ঈদ শুভেচ্ছা গাইবান্ধার পুলিশ সুপার ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক মেহেরুননেছা বৃদ্ধাশ্রম পরিদর্শন গোবিন্দগঞ্জ মাদকের শিকড় উৎপাটনের অংশ হিসাবে ২ ঘটনায় মাদকসহ ৪ জন আটক  গোবিন্দগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন পালিত গোবিন্দগঞ্জ স্কুলছাত্রী গণ ধর্ষনের ৬ আসামিই ২ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার  নড়াইলের কামার পল্লীতে কোরবানী ঈদে হাক ডাক নেই গোপালগঞ্জ মুকসুদপুর থেকে ২৩৫পিস ইয়াবাসহ একজনকে আটক করেছে র‌্যাব-৮ টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের শ্রদ্ধা
বিদ্যাসাগর পদক পেলেন রাবির অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান

বিদ্যাসাগর পদক পেলেন রাবির অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান

আশিক, রাবি:
সাহিত্য ও ইতিহাস গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ভারতে ‘বিদ্যাসাগর পদক-২০১৯’ পেয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ। সম্প্রতি ভারতের পূর্বমেদনীপুর পাঁশকুড়ার একটি হোটেলে বঙ্গবন্ধু রিসার্চ এন্ড কালচারাল ফাউ-েশন কর্তৃক এ পদক প্রদান করা হয়।

গত ১৬-১৭ জুলাই ভারতের বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও হিন্দী বিভাগের যৌথ আয়োজনে ‘ঈশ্বচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মদ্বিশতবর্ষ’ উদযাপন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বিদ্যাসাগরের উপর তাঁর নিজের লেখা গবেষণা প্রবন্ধ পাঠ করেন। তার স্বীকৃতি স্বরূপ এই সম্মাননা দেওয়া হয়।

ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ সাহিত্য ও গবেষণা জগতে ইতোমধ্যে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন। ছড়া, কবিতা, গবেষণা, গান রচনা এবং সাহিত্য সমালোচনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ভারতে তিনি ব্যাপকভাবে প্রশংসিত। সাংস্কৃতিক সংগঠক হিসেবেও তাঁর পরিচিতি উল্লেখ করার মতো।

ড. মাহফুজুর রহমান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক। গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার মুক্তিনগর ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর পিতার নাম মোজাফফর রহমান আখন্দ এবং মাতার নাম মর্জিনা বেগম। তিনি ১৯৯৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম. ফার্ষ্টক্লাশ ফার্ষ্ট।
অতঃপর ২০০০ সালে এম.ফিল এবং ২০০৫ সালে পিএইচ.ডি ডিগ্রীও অর্জন করেন। ‘আরাকান ও রোহিঙ্গা’ তাঁর গবেষণার কেন্দ্রবিন্দু হলেও শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতিসহ নানাবিধ বিষয়ে প্রবন্ধ-নিবন্ধ বিভিন্ন গবেষণা জার্নাল, জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক-সাপ্তাহিক পত্রপত্রিকা এবং অনলাইন ম্যাগাজিনসহ সাহিত্যের ছোট কাগজে নিয়মিত লিখে থাকেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য একুশটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।

তিনি বাংলা একাডেমী, এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ইতিহাস সমিতি, বাংলাদেশ ইতিহাস একাডেমী; বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদ ও পশ্চিমবঙ্গ ইতিহাস সংসদসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত আছেন।

মাহফুজুর রহমান আকন্দ বলেন, বিদ্যাসাগর পদকটি মূলত দেওয়া হয় সাহিত্যের গবেষণায় উৎসাহিত করার জন্য। এই পদকটি প্রাপ্তির ফলে আমার সাহিত্য রচনার ক্ষেত্রে দায়বদ্ধতা আরও বেড়ে গেলো। বিদ্যাসাগর,স্বামী বিবেকানন্দসহ আরও অন্যান্য খ্যাতিমান ব্যক্তিদের জীবন ও সাহিত্য নিয়ে গবেষণার জন্য নতুন করে উৎসাহ পেয়েছি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2020 nbnews71.com
Design & Developed BY NB Web Host