শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:১৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
গোবিন্দগঞ্জে দুবৃর্ত্তদের হাতে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্কুল ছাত্রের মৃত্যু গোবিন্দগঞ্জে আওয়ামীলীগের উদ্যোগে মুজিববর্ষ উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত স্বামীকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ী হবেন নুসরাত ফারিয়া ‘আমার জীবনের সবচেয়ে খারাপ সময় শুরু হয় তখন যখন আমি কেবিসি জিতি’ -সুশীল কুমার। রাণীশংকৈলে পেঁয়াজে গড়ম ঝাঁঝ, প্রতিকেজি পেঁয়াজ ১০০ টাকা নড়াইল কালনা সড়কের উপরে মাছের  আড়ৎ  রাণীশংকৈল পৌরসভা নির্বাচন, সাম্ভাব্য প্রার্থীদের আগাম গণসংযোগ নড়াইলে ডিবি পুলিশের অভিযানে পলাতক দুই আসামি ৯৭ পিচ ইয়াবাসহ গ্রেফতার    কুড়িগ্রামের উলিপুরে ফেন্সিডিল হিরোইন সহ দুই জনকে গ্রেফতার মিনি কক্সবাজারে বর্ষায় নৌ-ভ্রমনে প্রাকৃতির অপরুপ দৃশ্য খুবই নয়নাভিরাম
জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে স্ত্রী হত্যার অভিযোগ, স্বামী পলাতক

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে স্ত্রী হত্যার অভিযোগ, স্বামী পলাতক

পুলক সরকার, জয়পুরহাট প্রতিনিধি: জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে রোজিনা খাতুন (১৮) নামে এ গৃহবধুর ছুরিকাঘাত করা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন হত্যা করতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে নিহত রোজিনার পেটে ছুড়িকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। নিহত রোজিনা আক্কেলপুর উপজেলার গুডুম্বা পূর্বপাড়া গ্রামের মগবুল হোসেনের মেয়ে ও হরিসারা গ্রামের মেহেদী হাসানের স্ত্রী।
ভোরে আক্কেলপুর উপজেলার গুডুম্বা পূর্বপাড়া গ্রামে এই মরদেহ পাওয়া যায়। ঘটনার পর থেকে রোজীনার স্বামী মেহেদী হাসান পলাতক রয়েছেন। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জয়পুরহাট আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

রোজিনার পরিবার জানায়, গুডুম্বা পূর্বপাড়া গ্রামের মকবুল হোসেনের তৃতীয় মেয়ে রোজিনা খাতুনের সাথে একই উপজেলার হড়িসারা দক্ষিণ পাড়া গ্রামের সেকেন্দার আলীর বিবাহিত ছেলে মেহেদী হাসানের সাথে প্রেমের সম্পর্কের পর গত বছরের ডিসেম্বর মাসে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই রোজিনা বাবার বাড়িতেই থাকত। শুক্রবার মধ্যরাতে একটি গাড়ির শব্দ পায় তারা এরপর থেকে রোজিনা নিখোঁজ ছিল পরে ভোরে বাড়ির পাশে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

রোজিনার বাবা মকবুল হোসেন জানান, মেহেদীর সাথে বিয়ের পর থেকে মেয়ে আমার বাড়িতেই থাকতো। সন্ধ্যায় মেয়ের জামাই বাড়িতে এসে বলে রোজিনা কোথায়? তখন আমি বলি রোজিনা তো সকালে দিয়ল একটি সংস্থাতে টাকা তুলতে গেছে। আর জামাই বলে, রোজিনা তো আক্কেলপুরে গেছে, আর এই আশায় আমার শেষ আসা আপনাদের বাড়িতে। শনিবারে তালাকের কাগজ আপনাদের বাড়িতে পৌছে যাবে, এই বলে জামাই চলে যায়। এর পর রাতে সবাই আমরা ঘুমিয়ে যাই। রোজিনা তার ছোট ভাইকে নিয়ে আলাদা ঘরে ঘুমায়। রাত তিনটার দিকে বাড়ির পাশে রাস্তায় একটি গাড়ি এসে দাড়ায়। এর পর রোজিনাকে ওই গাড়িতে তুলে নিয়ে চলে যায়। পরে রোজিনার মা আর আমি বাড়ি- ঘরে খুঁজে দেখি মেয়ে বাড়িতে নেই। তখন ভাবলাম, রোজিনাকে তাহলে ওই গাড়িতে করেই নিয়ে গেছে। ভোরে আমাদের বাড়ির পাশে রাস্তার ধারে একটি পায়খানার ধারে রোজিনাকে পড়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পায় আমার চাচাতো ভাই লেজন। খবর পেয়ে আমরা সেখানে গিয়ে দেখী রোজিনাকে হত্যা করে সেখানে ফেলে রেখে চলে গেছে। আমার জামাই মেয়েকে হত্যা করে এখানে ফেলে গেছে আমি মেয়ে হত্যার বিচার চাই।

আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ওবায়েদ বলেন, রোজিনা মেহেদী হাসানের দ্বিতীয় স্ত্রী। মেহেদীর প্রথম স্ত্রীসহ সন্তান আছে। প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে তাকে পরিকল্পিতভাবে অন্য কোথাও হত্যা করে তার বাবার বাড়ির পাশে ফেলে চলে গেছে। রোজিনার পেটে ছুড়িকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে খুব দ্রুতই এই হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2020 nbnews71.com
Design & Developed BY NB Web Host