ঘুমধুমে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিরোধীয় জায়গায় স্থাপনা নির্মাণে অভিযুক্ত রেডিয়েন্ট গার্ডেন!

নিজস্ব প্রতিবেদক,উখিয়াঃ

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিরোধীয় জায়গায় নতুন করে স্থাপনা নির্মাণ ও গরু বাজার বসিয়ে আইন কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে যাচ্ছে রেডিয়েন্ট গার্ডেন নামের একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। উক্ত বিরোধীয় জায়গায় স্থীতাবস্থা বজায় রাখতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা স্বত্বেও তা মানছেনা রেডিয়েন্ট গ্রুপের বাগান কর্তৃপক্ষ।ফলে নিরীহ জায়গার মালিক দাবিদার নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের নোয়াপাড়া গ্রামের মৃত আলী আহমদের ছেলে মোহাম্মদ আলম জায়গা রক্ষা করা নিয়ে সংশকিত হয়ে পড়ছেন।সংশয় প্রকাশ করে মোহাম্মদ আলম বলেছেন,রেডিয়েন্ট গার্ডেন কর্তৃপক্ষ প্রভাবশালী হওয়ায় স্থানীয় কিছু ভাড়াটিয়া লোকজন ব্যবহার করে প্রশাসনের রহস্যজনক ভুমিকায় রাতারাতি উক্ত বিরোধীয় জায়গায় স্থাপনা নির্মাণ সহ গরু বাজার বসিয়ে দখল পাকাপোক্ত করার পাঁযতারা চালিয়ে যাচ্ছে।

৩০ মে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,ঘুমধুম ২৬৭ নং মৌজার ঘুমধুম-তুমব্রু আর্মি সড়কের প্রবেশ মুখে উক্ত বিরোধীয় জায়গার অবস্থান।লীজ ক্রয়ের নামে রেডিয়েন্ট গ্রুপের অংগ প্রতিষ্ঠান রেডিয়েন্ট গার্ডেন উক্ত জায়গা জোর পূর্বক দখলে নেয় স্থানীয় প্রশাসন ও প্রভাবশালী কিছু ভাড়াটিয়া লোকজন ব্যবহার করে।

জায়গার মালিক দাবিদার মোহাম্মদ আলম উক্ত জায়গা পরিমাপ ও সীমানা চৌহদ্দি চিহ্নিত না করা পর্যন্ত উক্ত জায়গায় স্থীতাবস্থা বজায় রাখতে দখলদার চক্র রেডিয়েন্ট গার্ডেনের বিরুদ্ধে বান্দরবান জজ কোর্ট মামলা দায়ের করে,যার নং- ১৪/২০২১। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উক্ত জায়গায় স্থীতাবস্থা বজায় রাখতে উভয় পক্ষের প্রতি নিষেধাজ্ঞা জারী করে আদালত।
কিন্তু আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রেডিয়েন্ট গার্ডেন কর্তৃপক্ষ রোহিঙ্গা শ্রমিক দিয়ে দিবারাত্রি ইটের গাথুঁনি দিয়ে নতুন স্থাপনা নির্মাণ করে চলছে।পাশাপাশি উক্ত বিরোধী জায়গায় গরুর হাট বসিয়ে বাণিজ্যেও মেতে উঠেছে।জায়গার মালিক মোহাম্মদ আলম জানান,
বিরোধীয় বিষয়ে স্থানীয় ভাবে নিষ্পত্তি করার জন্য রেডিয়েন্ট গার্ডেন কর্তৃপক্ষ একাধিকবার বসার জন্য বললেও তারা পেশীশক্তির জোরে পাশ কেটে উক্ত জায়গায় জবর দখল পাকাপোক্ত করার অপচেষ্টাই লিপ্ত রয়েছে।এ ব্যাপারে তিনি প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
এ বিষয়ে ঘুমধুমস্থ রেডিয়েন্ট গার্ডেনের প্রকল্প সমন্ধয়ক ও পরিচালক মশহুর উর আলম বলেন,
মোহাম্মদ আলমের মামলার বিষয়ে সার্ভেয়ার জায়গায় তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করে।সে মামলা প্রত্যাহার করে নেয়।শুনেছি আরেকটি মামলা করেছে।নিষেধাজ্ঞা নেই।

মতামত দিন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More