গোপালগঞ্জে শ্রী শ্রী হরিচাঁদ গুরুচাঁদ ঠাকুরের নামে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে তৎপর একটি চক্র

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জের চককুরালিয়া শ্রী শ্রী হরিচাঁদ গুরুচাঁদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের নিয়ে নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে স্কুলটির বিরোধীতাকারি একটি পক্ষ। স্কুলটির প্রতিষ্ঠালগ্নে ওই চক্রটি নানান ষড়যন্ত্র করলেও স্থানীয় জনগণের প্রতিরোধের মুখে তাদের অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়।

্এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, বিগত ২০১৮ সালের ২৭ জুলাই স্থানীয় কয়েকজন শিক্ষানুরাগী শ্রী শ্রী হারিচাঁদ গুরুচাঁদ শিক্ষা সংঘ চান্দার বিলের মাঝখানে চককুরালিয়া গ্রামে এতদঅঞ্চলের সুবিধা বঞ্চিত নমঃশূদ্র সম্প্রদায়ের শিক্ষার জনক সনাতন ধর্মের আত্মাতিক গুরু, মতুয়া প্রবর্তক শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের নামে স্কুলটি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়।

সেঅনুযায়ি ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি বিদ্যালয়ের পাঠ দান কার্যক্রম শুরু হয়। গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সাতপাড় ইউনিয়নের চককুরালিয়া, সানপুকুরিয়া, বরইভিটা, রাধানগর, বড়খোলা, পাথরগ্রাম ও বরমপাল্টা ৭ গ্রামের ছেলে- মেয়েরা এ স্কুলে পড়ালেখা করছে।

বিদ্যালয় ব্য¦স্থাপনা কমিটির সদস্য প্রহলাদ চৌধুরী বলেন, সাত গ্রামের মধ্যে কোন হাই স্কুল নেই। নৌকা ও পায়ে হাটাই ওই এলাকার মানুষের একমাত্র অবলম্বন। প্রতিষ্ঠালগ্নে ২৬ জনমতুয়া অনুসারি স্কুলটিতে সাড়ে ৩ বিঘা জমি দান করেন। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ১৪জন শিক্ষক ও কর্মচারি রয়েছে। ২০১৯ সাল থেকে শিক্ষার্থীরা বিনা বেতনে পড়ালেখা করছে। শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি ইউনিফর্ম প্রদানকরা হয়।

এছাড়া বিদ্যালয়ে টিন সেড দু’টি একাডেমিক ভবন,একটি প্রশাসনিক ভবন ও একটি হোস্টেল ভবন নির্মান করা হয়েছে। ৩৫ জন ছেলে হোস্টেল থেকে লেখাপড়া করে। স্কুলে বিশুদ্ধ পানি ও বিদ্যুতের ব্যবস্থাসহ ক্যাম্পাসে খনন করা হয়েছে একটি পুকুর।

২০১৯ সালে আষ্টম শ্রেনীতে ৪৬ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩৮ জন পাশ করে। যার মধ্যে ৩৩ জনই ড্রপ আউট শিক্ষার্থী। আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও গোপালগঞ্জ -২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম স্কুলটিকে পাঠ দানের অনুমতি দেয়ার জন্য শিক্ষা সচিবকে ডিও লেটার দেন।

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় আম্পানে সাতপাড় ইউনিয়নের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত রানাপাশা খালের পাড়ে বনবিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়িত সামাজিক বনায়ন প্রকল্পের ছোট ছোট ২০-২৫টি গাছ পড়ে যায়। স্থানীয় লোকজন উপড়ে পড়া ওইসব গাছ থেকে কয়েকটি গাছ নিয়ে যায়।

রানাপাশা বাধ বাগান সমিতি ওই বনায়ন প্রকল্পটি রক্ষনা বেক্ষনের দায়িত্ব পায়। শ্রী শ্রী হরিচাঁদ গুরুচাঁদ ঠাকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিরম্ময় বালা বর্তমানে সামাজিক বনায়ন প্রকল্পের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এমন অবস্থায় ওই সমিতির সদস্যরা মিলে ঝড়ে যে কয়টি গাছ অবশিষ্ট আছে তা দিয়ে স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য কয়েকটি ব্ঞ্চে তৈরী করার জন্য রেজুলেশনের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেন।

এলাকাসীর অভিযোগ করে আরও জানা যায়, কিন্তু বিদ্যালয়ের শুরু থেকে যারা বিরোধিতা করে আসছিলেন ওই গ্রামের গোপাল বিশ্বাস, হরিপদ বিশ্বাস ও সুধাংশু গাইন ঝড়ে পড়ে যাওয়া গাছ নিযে ই্যসু সৃষ্টি কওে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছেন।

ওই চক্রটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সম্মানিত সদস্যদের নাম জড়িয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পুলিশের কাছে ভুয়া অভিযোগ তৈরী করে হয়রানি ও বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।গোপালগঞ্জে শ্রী শ্রী হরিচাঁদ গুরুচাঁদ ঠাকুরের নামে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে তৎপর একটি চক্র

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :

গোপালগঞ্জের চককুরালিয়া শ্রী শ্রী হরিচাঁদ গুরুচাঁদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের নিয়ে নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে স্কুলটির বিরোধীতাকারি একটি পক্ষ। স্কুলটির প্রতিষ্ঠালগ্নে ওই চক্রটি নানান ষড়যন্ত্র করলেও স্থানীয় জনগণের প্রতিরোধের মুখে তাদের অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়।

্এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, বিগত ২০১৮ সালের ২৭ জুলাই স্থানীয় কয়েকজন শিক্ষানুরাগী শ্রী শ্রী হারিচাঁদ গুরুচাঁদ শিক্ষা সংঘ চান্দার বিলের মাঝখানে চককুরালিয়া গ্রামে এতদঅঞ্চলের সুবিধা বঞ্চিত নমঃশূদ্র সম্প্রদায়ের শিক্ষার জনক সনাতন ধর্মের আত্মাতিক গুরু, মতুয়া প্রবর্তক শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের নামে স্কুলটি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়।

সেঅনুযায়ি ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি বিদ্যালয়ের পাঠ দান কার্যক্রম শুরু হয়। গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সাতপাড় ইউনিয়নের চককুরালিয়া, সানপুকুরিয়া, বরইভিটা, রাধানগর, বড়খোলা, পাথরগ্রাম ও বরমপাল্টা ৭ গ্রামের ছেলে- মেয়েরা এ স্কুলে পড়ালেখা করছে।

বিদ্যালয় ব্য¦স্থাপনা কমিটির সদস্য প্রহলাদ চৌধুরী বলেন, সাত গ্রামের মধ্যে কোন হাই স্কুল নেই। নৌকা ও পায়ে হাটাই ওই এলাকার মানুষের একমাত্র অবলম্বন। প্রতিষ্ঠালগ্নে ২৬ জনমতুয়া অনুসারি স্কুলটিতে সাড়ে ৩ বিঘা জমি দান করেন। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ১৪জন শিক্ষক ও কর্মচারি রয়েছে। ২০১৯ সাল থেকে শিক্ষার্থীরা বিনা বেতনে পড়ালেখা করছে। শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি ইউনিফর্ম প্রদানকরা হয়।

এছাড়া বিদ্যালয়ে টিন সেড দু’টি একাডেমিক ভবন,একটি প্রশাসনিক ভবন ও একটি হোস্টেল ভবন নির্মান করা হয়েছে। ৩৫ জন ছেলে হোস্টেল থেকে লেখাপড়া করে। স্কুলে বিশুদ্ধ পানি ও বিদ্যুতের ব্যবস্থাসহ ক্যাম্পাসে খনন করা হয়েছে একটি পুকুর।

২০১৯ সালে আষ্টম শ্রেনীতে ৪৬ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩৮ জন পাশ করে। যার মধ্যে ৩৩ জনই ড্রপ আউট শিক্ষার্থী। আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও গোপালগঞ্জ -২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম স্কুলটিকে পাঠ দানের অনুমতি দেয়ার জন্য শিক্ষা সচিবকে ডিও লেটার দেন।

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় আম্পানে সাতপাড় ইউনিয়নের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত রানাপাশা খালের পাড়ে বনবিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়িত সামাজিক বনায়ন প্রকল্পের ছোট ছোট ২০-২৫টি গাছ পড়ে যায়। স্থানীয় লোকজন উপড়ে পড়া ওইসব গাছ থেকে কয়েকটি গাছ নিয়ে যায়।

রানাপাশা বাধ বাগান সমিতি ওই বনায়ন প্রকল্পটি রক্ষনা বেক্ষনের দায়িত্ব পায়। শ্রী শ্রী হরিচাঁদ গুরুচাঁদ ঠাকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিরম্ময় বালা বর্তমানে সামাজিক বনায়ন প্রকল্পের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এমন অবস্থায় ওই সমিতির সদস্যরা মিলে ঝড়ে যে কয়টি গাছ অবশিষ্ট আছে তা দিয়ে স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য কয়েকটি ব্ঞ্চে তৈরী করার জন্য রেজুলেশনের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেন।

এলাকাসীর অভিযোগ করে আরও জানা যায়, কিন্তু বিদ্যালয়ের শুরু থেকে যারা বিরোধিতা করে আসছিলেন ওই গ্রামের গোপাল বিশ্বাস, হরিপদ বিশ্বাস ও সুধাংশু গাইন ঝড়ে পড়ে যাওয়া গাছ নিযে ই্যসু সৃষ্টি কওে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছেন।

ওই চক্রটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সম্মানিত সদস্যদের নাম জড়িয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পুলিশের কাছে ভুয়া অভিযোগ তৈরী করে হয়রানি ও বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

মতামত দিন

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More