শিরোনাম

কুড়িগ্রাম সদরের তিনটি ব্রিজ ও রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দূর্ভোগে তিন ইউনিয়ন জেলা প্রশাসকের তদন্তের নির্দেশ

Spread the love
রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার মোগলবাসা ইউনিয়নের চর,পাঁচগাছী ইউনিয়ন,ও সংলগ্ন উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের লোকজনের যাতায়াতের একমাত্র অবলম্বন মোগলবাসা ইউনিয়নের চর সিতাঝাড় নয়ারহাট কুড়ারপার রাস্তার উপর নির্মাণাধীন  ২টি সেতু ও একটি সুইচগেট ভেঙ্গে যায়। চরম দূর্ভোগে পড়েছেন তিনটি ইউনিয়নের বাসিন্দা গণ সরেজমিনে জানা গেছে, বিগত ২০১৭ সালের জুলাই মাসে উজান থেকে ধেয়ে আশা আকস্মিক বন্যায় প্রবল স্রোতের কারণে ও একটি সুইচগেট ভেঙ্গে যায়। তাছাড়াও ২০১৯ সালের ভয়াবহ বন্যায় চড়সিতাঝাড় মানিকের মোড় হইতে নয়ার হাট বাজার ভায়া মোগলবাসা ফেরিwঘাট পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে রাস্তা টি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তার গর্তে পানি জমে থাকে এবং ইজারাকৃত নয়ার হাট বাজারে মধ্যবর্তী কাদা জমা হয়ে থাকে। বর্তমানে এ পরিস্থিতিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিভিন্ন পেশাজীবী লোকজন বিভিন্ন যানবাহন সহ তিন ইউনিয়নের বাসিন্দাদের পথ চলাচলে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। এসব এলাকার লোকজন কুড়িগ্রাম জেলা শহরের সাথে চলাচলের যোগাযোগ রাস্তা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সংস্কার বা বাইপাস রাস্তা নির্মাণ ও মেরামতের কোন উদ্যোগ না থাকায় জনমনে হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। উল্লেখ্য যে বিগত ১৯৯২ সালে উক্ত রাস্তার উপর একটি সুইচ গেট নির্মাণ করা হয়। পাশাপাশি একই রাস্তায় উপর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়ন ২০১৫-২০১৬ ইং অর্থবছরে প্রায় ৫৭  লক্ষ টাকা ব্যয় একটু সেতু নির্মাণ করা হয়। একই রাস্তায় ২০১৬-২০১৭ ইং অর্থবছরে ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে একটু সেতু নির্মাণ করা হয়।একই রাস্তায় পাশাপাশি দুটি সেতু ও একটি সুইচগেট ভেঙে যায়। যা নিম্নমানের কাজ করা হয় বলে  সচেতন মহলের দাবি। চলাচলের কাঁচা রাস্তাটি২০১৯ সালের বন্যা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।  চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি দীর্ঘদিন সংস্কার হয়নি। অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে বিভিন্ন পথ অবলম্বন করে দুর্বিষহ জীবনযাপনে পথ চলাচল করতে হচ্ছে। এ ব্যাপারে নয়ারহাট বাজার সমিতির সভাপতি আজিজুল ইসলাম জানায় সরকারিভাবে হাট ইজারা নিলেও রাস্তার যোগাযোগ বাজারের ভিতরে রেকর্ডীয়  রাস্তায় কাদা ভুক্ত থাকার ব্যাপারে ইতিপূর্বে ইউপি চেয়ারম্যান  সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের জানানো হয়েছে তাছাড়াও স্থানীয় দারোগ, আলী মনসুর আলী, হোসেন আলী, খয়শের আলী মাস্টার, সামাদ আলী রুহুল আমিন ঔষধ ব্যবসায়ী ও সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হোসেন সহ অনেকে জানান মূল রাস্তাটি সংস্কারের অভাবে ৩ ইউনিয়নের জনসাধারণ অতি কষ্টে বিভিন্ন পথে মালামালসহ বিভিন্ন পেশাজীবী কাজে যথাসময়ে উপস্থিত সহ আদান প্রদান করতে হয়। ইউপি চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান বাবলু মিয়ার সাথে কয়েকবার কথা হলে তিনি বাজারের রাস্তাটি টেন্ডারের মাধ্যমে পাকাকরন করবে বলে জানান কিন্তু তা কার্যকরী হচ্ছে না। এ প্রতিবেদক ৯ অক্টোবর বুধবার দুপুরে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মহোদয় সুলতানা পারভীন এর সাথে কথা বলে তিনি জানান বিষয়টি আমার জানা নেই তবে তাৎক্ষণিক কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবগত করাচ্ছেন তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *