উলিপুরে ৭৮ বছর বয়সেও ভাতা পাননি মেলেনি ত্রানের তালিকায় ভিক্ষুকের নাম

রুহুল আমিন রুকু কুড়িগ্রাম থেকে: ৭৮ বছর বয়সে জীবন শায়ান্নে দুঃখ ও দরিদ্রতার ভার আর সইতে পারছে না বর্তমান প্রাণঘাতী করোনা পরিস্থিতি ভিক্ষাবৃত্তির তেমন পাচ্ছেনা। ভাতা ও ত্রাণ সামগ্রী পাওয়া তার কাছে যেন দুঃস্বপ্নই থেকে গেলো তার দুঃসময়ে পাশে নেই কেউ।

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের সামনে মৃত বাছদ্দি মামুদের বাক প্রতিবন্ধী কন্যা বাছিরন বেগম পিতা কম বয়সে মৃত্যু হয় এদিকে বাক প্রতিবন্ধী তাই বিবাহ শাদী হয়নি তার বিবাহের সময় নদী ভাঙ্গনে পৈত্রিক বসতভিটা বিলীন হওয়ায়।ভাইয়ের জায়গায় ঠাঁই নিয়ে গত প্রায় ৪০ বছেরর অধিক সময় ধরে ভিক্ষাবৃত্তি করে দিনাতিপাত করছেন। বয়সের পড়ন্ত বেলায় এসেও তিনি এখনও সরকারের দেওয়া সুযোগ থেকে বঞ্চিত সরেজমিনে জানা গেছে উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ইসলামপুর গ্রামের বাছিরন বেগম (৭৮) বয়সের ভারে কোমড় বাঁকা হয়ে গেছে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ বয়সেও বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় হাট বাজারে মানুষের দ্বাড়ে। গত ৪০ বছরের অধিক সময় হতে দারিদ্রতার ঘাড়ে বোঝা নিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবনের চাহিদা পূরণের চেষ্টা করেন। ঘর সংসারে তিনি একাই দিনমজুর ভাইয়ের বাড়িতে ঠাই নিলেও অভাবী ভাইয়ের সংসারে বোনকে দেখার মত সামর্থ্য নেই।১১ ই মে সমবার বাক প্রতিবন্ধী বাছিরন বেগমের সাথে মোল্লারহাটে ভিক্ষা করার সময় ইশারায় কথা হয়।

তারপর তার আশ্রয় নেওয়া বাড়িতে খোঁজখবর নেওয়া হয়। এ সময় তার ভাইয়ের বউ জানান তার কোন বিবাহ সাদী হয়নি ভিক্ষাবৃত্তি করে চলছে তার দিন। এ ব্যাপারে ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুজ্জামালের সাথে সাক্ষাতে কথা হলে তিনি জানান সামান্য তালিকা পাই তাহা দেওয়ার সুযোগ হয়না আগামী বরাদ্দ তার নাম ভাতায় অন্তর্ভুক্ত হবে। কথায় মনে হয় তাকে চেনেন না তিনি অন্য ওয়ার্ডের বাসিন্দা বলে দাবি করেন আসলে ভিক্ষুক বাছিরন তার ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দা এবং ভোটার।

এ ব্যাপারে উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের বেগমগঞ ইউনিয়ন মাঠকর্মী মোস্তফা কামালের সাথেে কথা হলে তিনি জানান বিষয়টি আমার জানা ছিল না তবে আগামী নতুন তালিকা নাম আছে কিনা তালিকা যাচাই করলে জানা যাবে। স্থানীয় লোকজন জানান অসহায় ভিক্ষুকের পাশে দাঁড়ানোর প্রয়োজন তারা আরো জানান সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার নির্বাচনে নির্বাচিত হওয়ার পর শেষ আমলেও এলাকায় দেখা মেলেনি। ভিক্ষুকের বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ সহ প্রধানমন্ত্রী সু -নজর দেওয়ার জন্য দাবি জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *