রবিবার, ১২ Jul ২০২০, ০৯:৩৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম:
কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি গাইবান্ধায় ল্যাব স্থাপনসহ ৪ দফা দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ গোবিন্দগঞ্জে পানিতে ডুবে কিশোরীর মৃত্যু প্রবীণ সংবাদিক নিজাম উদ্দিন প্রধানের ইন্তেকাল গাইবান্ধায় প্রথম আলো ট্রাষ্টের ত্রাণ বিতরণ কুড়িগ্রাম হাসপাতালের ময়লার স্তুপে জাতির জনকের ছবি শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন গোপালগঞ্জে যুবক নিহত হওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের বাড়িঘর লুটপাট ও এলাকা মানুষ শূণ্য কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের দুর্নীতি নিয়ে তদন্তঃ কঠোর অবস্থানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ভূরুঙ্গামারীতে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় ইজিবাইক চালকের মর্মান্তিক মৃত্যু
উলিপুরের বিস্তৃর্ণ চরাঞ্চলে তিসি চাষে কৃষকের মুখে হাসি

উলিপুরের বিস্তৃর্ণ চরাঞ্চলে তিসি চাষে কৃষকের মুখে হাসি

 

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ঃ
কুড়িগ্রামের উলিপুরে এবারে তিসি চাষ এর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখছে কুষকরা। অনুকুল আবহাওয়া ও উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় চাষিদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। এবারে তিসি চাষে প্রাকৃতিক কোনো বিরূপ পরিস্থিতির মুখে পরতে হয়নি চাষিদেরকে। তাই বিভিন্ন অঞ্চল ও নদ-নদীর বিস্তৃর্ণ চর সমূহে তিসির ব্যাপক চাষাবাদ হয়েছে। কিছুদিন পর কৃষকরা মাঠ থেকে ফসল কাটা ও মারাই কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়বেন। উপজেলার ধরলা, ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তা নদ-নদীর আববাহিকার মুসার চর, মশালের চর, মতুয়াতলী, বানাডোবা, আক্কেল মামুদ ও কর্পুরাচরের বিস্তৃর্ণ এলাকা জুড়ে মহা সমারোহে এ ফসল চাষ করায় তিসি ফলনে ঘটেছে শস্য বিপ্লব। কম খরচে ভালো দাম পাওয়া যায় বলে এ ফসল চাষে উৎসাহী হন কৃষকরা। এজন্য স্বপ্ল মেয়াদী আউশ ধান কেটে তারা শীতকালীন এ ফসল চাষ করেন। এবারে অতিবৃষ্টি ও বন্যায় আউশ ধান তেমন সুবিধে না হলেও শস্য জাতীয় (তৈলপ্রদ বীজ বিশেষ) এ ফসলের বাম্পার ফলনে কৃষকেরা সেই ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার স্বপ্ন দেখছেন। বিঘা প্রতি জমিতে ৫ থেকে ৬ মণ তিসি ফলন পাওয়া যাবে বলে চাষিরা জানান। যার বর্তমান বাজার মূল্য মণপ্রতি ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা। এবারে দেশী ও উচ্চ ফলনশীল উভয় জাতের তিসি চাষ হয়েছে। এর গাছ ফলন পর্যন্ত দুই থেকে তিন ফিট লম্বা হয়। রোপণের পর জাত ভেদে আড়াই/তিন মাসের মধ্যে তিসি ঘরে তোলা যায়। তবে পলি ও দোয়াশ জমিতে এর আবাদ ভালো হয়। কৃষকরা জানান, তিসি চাষে সাধারণত জৈব সার বেশী ব্যবহার করতে হয়। এছাড়া তিসি শীতকালীন ফসল হওয়ায় কীট-পতঙ্গের আক্রমণ তেমন একটা হয় না। ফলে কম খরচে আশাব্যঞ্জক উৎপাদন করা যায়।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার জানান, উলিপুরের চরাঞ্চলে এর চাষ বেশী হয়ে থাকে। এ বছর তিসি আবাদ ভাল হয়েছে। রোগ-বালাই না থাকায় ও অনুকুল আবহাওয়া বিরাজ করায় এবছর তিসি চাষ করেই প্রত্যাশিত ফলন পাওয়া যাবে। এবার বাম্পার ফলনে কৃষকদের মুখে এখন খুশির ঝলক লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2020 nbnews71.com
Design & Developed BY NB Web Host